রাজশাহীর রফিকুল ইসলাম প্রথমবার ku9s-এর কথা শুনেছিলেন তার এক বন্ধুর মুখে। ২০২৬ সালের বিপিএল চলছিল তখন। বন্ধু বললেন, "আরে ভাই, শুধু টিভিতে দেখলেই হবে? একটু বেট করো, মজাটা আলাদা হয়ে যায়।" রফিক ভাই শুরুতে দ্বিধায় ছিলেন। অনলাইনে টাকা দেওয়া মানে ঝুঁকি, এটাই তার ধারণা ছিল।
কিন্তু বন্ধুর কথামতো ku9s-এ গিয়ে একটু ঘোরাঘুরি করলেন। দেখলেন পুরো সাইটটা বাংলায়, নিবন্ধন করতে মাত্র মোবাইল নম্বর লাগছে, আর বিকাশে ডিপোজিট করা যাচ্ছে। মনে মনে ভাবলেন, "এটা তো আমার জন্যই বানানো।"
প্রথম মাস — শেখার পর্ব
রফিক ভাই প্রথম মাসে মাত্র ৳৫০০ নিয়ে শুরু করেছিলেন। বড় কোনো প্রত্যাশা ছিল না। লক্ষ্য ছিল শুধু বুঝে নেওয়া — ku9s কীভাবে কাজ করে, অডস মানে কী, বেট স্লিপ কীভাবে বানাতে হয়। প্রথম সপ্তাহে দুটো বেট জিতলেন, একটা হারলেন। মোটামুটি সমতায় শেষ হলো।
দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে তিনি একটু সিরিয়াস হলেন। ইউটিউবে ক্রিকেট বিশ্লেষণের ভিডিও দেখা শুরু করলেন। কোন পিচে কোন ধরনের ব্যাটিং ভালো হয়, কোন বোলার কোন কন্ডিশনে কার্যকর — এসব নিয়ে পড়াশোনা শুরু হলো। ku9s-এর স্ট্যাটিস্টিক্স পেজ থেকে হেড-টু-হেড ডেটা দেখতেন।
"আমি বুঝলাম, বেটিং আসলে ভাগ্যের খেলা না। যে বেশি জানে, সে বেশি জেতে। ক্রিকেটের খুঁটিনাটি বোঝা মানে আপনার কাছে তথ্য আছে, অন্যের কাছে নেই।"
— রফিকুল ইসলাম, রাজশাহীতৃতীয় মাস — কৌশল স্থির হলো
তৃতীয় মাসে রফিক ভাই তার নিজস্ব একটা নিয়ম বানালেন। প্রতি সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৳১,৫০০ বেট করবেন, একটি ম্যাচে সর্বোচ্চ ৳৩০০। কখনো অ্যাকুমুলেটরে পাঁচটার বেশি ম্যাচ না। এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ — যদি সপ্তাহে ৳৮০০ হারেন, আর বেট বন্ধ।
এই নিয়মগুলো মানতে গিয়ে মাঝেমাঝে কষ্ট হয়েছে। বিশেষ করে যখন মনে হয়েছে "এই বেটটা ১০০% জিতব।" কিন্তু রফিক ভাই নিজেকে থামিয়ে রেখেছেন। আর সেটাই তাকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করেছে।